Sale!

ম্যারাডোনা

Original price was: ৳ 700.00.Current price is: ৳ 525.00.

-25%

ফুটবল ইতিহাসের বিতর্কিত এক মহাতারকার আত্মজীবনী

লেখক : ম্যারাডোনা (আত্মজীবনী)
অনুবাদক : শেখ রানা
প্রকাশনী : বর্ষাদূপুর
বিষয় : জীবনী ও আত্মজীবনী

 

দুই গোল! আহ!
১৯৮৬ এর ২২ জুন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা । সারাজীবন আমি এই দিনটার কথা মনে রাখবো। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলাটা ছিল খুব কঠিন।
বিশেষ করে শেষ দিকে বার্নেস আমাদের জন্য খেলাটা আরো কঠিনতর করে তুলেছিল। আর…আমার দুই গোল!
দ্বিতীয় গোলটা নিয়ে অনেক স্মৃতি আমার…অনেক স্মৃতি। যদি আমার কোনো আত্মীয় এই ঘটনা বিধৃত করে তাহলে এর সাথে অবশ্যই একজন ইংলিশ খেলোয়ার জড়িত থাকবে।
যদি কপোলা বলে তাহলে সে বলতে চাইবে আগের দিন বিলার্দো যে আমাকে ছুটি দিয়ে চাঙ্গা করে তুলেছিল সেই ঘটনা। বিশ্বাস করুন পাঠক, আমার কাছে ছিল এটা স্বপ্নের এক গোল।

ফাইওরিটো থাকতে মাঠে এ রকম জায়গা বদল করে আমি গোল করতে চাইতাম সবসময়। আর আমি সত্যি ঠিক সে রকম এক গোল করলাম। বিশ্বকাপে। নিজের দেশের জন্য। ফাইনালে।

হ্যা, ফাইনাল বলছি। কারণ আমাদের কাছে এটা ফাইনালের মতই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একটা ফুটবল দলকে হারানোর চেয়েও এটি ছিল আসলে একটা দেশের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়া।
এটা ঠিক, এই খেলা শুরু হবার আগে আমরা সবাই বলছিলাম যে এটা শুধুই একটা ফুটবল ম্যাচ বৈকি কিছু নয় কিন্তু মালভিনাস যুদ্ধকে আমরা কেউ ভুলতে পারিনি। অনেক আর্জেন্টাইন মানুষ মারা গিয়েছিল।
পাখির মত গুলি করে মারা হয়েছিল ওদের। এটা ছিল প্রতিশোধ। মালভিনাসের সেই দুঃখজনক ঘটনায় কিছুটা স্বস্তির প্রলেপ লাগানো।
ম্যাচ শুরুর আগের সাক্ষাৎকারে আমরা সবাই বললাম বটে যে খেলা আর রাজনীতি একসাথে মেশানো ঠিক নয় কিন্তু তা ছিল নির্জলা মিথ্যা।
আমাদের চিন্তায় শুধু প্রতিশোধই ছিল। শুধুই আর একটা খেলা ছিল না সেটি।

বিজয়ের চেয়েও বেশী কিছু ছিল এই জয়। ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে ফেলার চেয়েও বড় কিছু।
একদিক দিয়ে দেখলে সেই ম্যাচে যা কিছু ঘটেছিল সবকিছুর জন্য ইংল্যান্ডের খেলোয়ারদের দোষ দেয়া যায়।
জানি, এখন এই কথাগুলো শুনতে বোকা বোকা লাগছে কিন্তু সত্যি হলো ঐ সময়ে আমাদের ঠিক এ রকমই মনে হয়েছিল।
ভিতরে ভিতরে অদ্ভুত এক শক্তি ভর করেছিল। আমরা আমাদের পতাকা বহন করছি, মৃত শিশুদের, যুদ্ধাহতদের। এ জন্যই আমার গোলটা ছিল অন্য মাত্রার কিছু।
আসলে দু’টো গোলই। দু’টো গোলের দু’রকম সৌন্দর্য আছে।
দ্বিতীয় গোলটা…আগেই বলেছিলাম এমন এক গোল যা ছোটবেলায় প্রত্যেকটি ছেলে স্বপ্নে দেখে, এমন গোল করতে চায়।
পটেরোতে খেলার সময় আমরা এ রকম কোনো গোল দিলে বলতাম- দেখো, বিপক্ষকে একদম ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছি।”
______________________
দিয়েগো আর্মান্দো ম্যারাডনা- ম্যারাডোনার আত্মজীবনী -বই থেকে
বাংলায় অনুবাদ- শেখ রানা 
Buy Now

সারা দেশে হোম ডেলিভারি

Guaranteed Safe Checkout

payment

ম্যারাডোনা
ম্যারাডোনা
৳ 700.00 Original price was: ৳ 700.00.৳ 525.00Current price is: ৳ 525.00.

[wpforms id=”1190″ title=”true” description=”Request a call back”]

দুই গোল! আহ!
১৯৮৬ এর ২২ জুন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা । সারাজীবন আমি এই দিনটার কথা মনে রাখবো। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলাটা ছিল খুব কঠিন।
বিশেষ করে শেষ দিকে বার্নেস আমাদের জন্য খেলাটা আরো কঠিনতর করে তুলেছিল। আর…আমার দুই গোল!
দ্বিতীয় গোলটা নিয়ে অনেক স্মৃতি আমার…অনেক স্মৃতি। যদি আমার কোনো আত্মীয় এই ঘটনা বিধৃত করে তাহলে এর সাথে অবশ্যই একজন ইংলিশ খেলোয়ার জড়িত থাকবে।
যদি কপোলা বলে তাহলে সে বলতে চাইবে আগের দিন বিলার্দো যে আমাকে ছুটি দিয়ে চাঙ্গা করে তুলেছিল সেই ঘটনা। বিশ্বাস করুন পাঠক, আমার কাছে ছিল এটা স্বপ্নের এক গোল।

ফাইওরিটো থাকতে মাঠে এ রকম জায়গা বদল করে আমি গোল করতে চাইতাম সবসময়। আর আমি সত্যি ঠিক সে রকম এক গোল করলাম। বিশ্বকাপে। নিজের দেশের জন্য। ফাইনালে।

হ্যা, ফাইনাল বলছি। কারণ আমাদের কাছে এটা ফাইনালের মতই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একটা ফুটবল দলকে হারানোর চেয়েও এটি ছিল আসলে একটা দেশের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়া।
এটা ঠিক, এই খেলা শুরু হবার আগে আমরা সবাই বলছিলাম যে এটা শুধুই একটা ফুটবল ম্যাচ বৈকি কিছু নয় কিন্তু মালভিনাস যুদ্ধকে আমরা কেউ ভুলতে পারিনি। অনেক আর্জেন্টাইন মানুষ মারা গিয়েছিল।
পাখির মত গুলি করে মারা হয়েছিল ওদের। এটা ছিল প্রতিশোধ। মালভিনাসের সেই দুঃখজনক ঘটনায় কিছুটা স্বস্তির প্রলেপ লাগানো।
ম্যাচ শুরুর আগের সাক্ষাৎকারে আমরা সবাই বললাম বটে যে খেলা আর রাজনীতি একসাথে মেশানো ঠিক নয় কিন্তু তা ছিল নির্জলা মিথ্যা।
আমাদের চিন্তায় শুধু প্রতিশোধই ছিল। শুধুই আর একটা খেলা ছিল না সেটি।

বিজয়ের চেয়েও বেশী কিছু ছিল এই জয়। ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে ফেলার চেয়েও বড় কিছু।
একদিক দিয়ে দেখলে সেই ম্যাচে যা কিছু ঘটেছিল সবকিছুর জন্য ইংল্যান্ডের খেলোয়ারদের দোষ দেয়া যায়।
জানি, এখন এই কথাগুলো শুনতে বোকা বোকা লাগছে কিন্তু সত্যি হলো ঐ সময়ে আমাদের ঠিক এ রকমই মনে হয়েছিল।
ভিতরে ভিতরে অদ্ভুত এক শক্তি ভর করেছিল। আমরা আমাদের পতাকা বহন করছি, মৃত শিশুদের, যুদ্ধাহতদের। এ জন্যই আমার গোলটা ছিল অন্য মাত্রার কিছু।
আসলে দু’টো গোলই। দু’টো গোলের দু’রকম সৌন্দর্য আছে।

দ্বিতীয় গোলটা…আগেই বলেছিলাম এমন এক গোল যা ছোটবেলায় প্রত্যেকটি ছেলে স্বপ্নে দেখে, এমন গোল করতে চায়।
পটেরোতে খেলার সময় আমরা এ রকম কোনো গোল দিলে বলতাম- দেখো, বিপক্ষকে একদম ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছি।”
______________________
দিয়েগো আর্মান্দো ম্যারাডনা- ম্যারাডোনার আত্মজীবনী -বই থেকে
বাংলায় অনুবাদ- শেখ রানা